সাধু রীতির বৈশিষ্ট্য কোনটি?
সাধু রীতির বৈশিষ্ট্য কোনটি?
-
ক
ক্রিয়ারূপ দীর্ঘ
-
খ
বিশেষ্যের আধিক্য
-
গ
অনুসর্গ হ্রস্বতর
-
ঘ
সর্বনাম হ্রস্বতর
সাধু ভাষা বা সাধু রীতির গদ্যের বৈশিষ্ট্যঃ
১। সধু আন্তায় তৎসম বা সংকৃত শব্দের প্রাধান্য।
২।যদিও সমাসবদ্ধ দীখাকৃতি পদের প্রয়োগ, যেমনঃ চতুর্থাংশ, মহাবুদ্ধিসম্পন্ন, বয়োবৃদ্ধিসহকারে। অস্থিরচিত্ত, প্রবণেন্দ্রিয় ইত্যাদি: এরকম শব্দের সংখ্যা অনেক।
৩। সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। প্রথমে উদ্দেশ্য ও পরে বিধেয়-বাক্যের প্রথমে বিশেষণযুক্ত বা বিযুক্ত কর্তা, মধ্যে কারক চিহ্নিত ক্রিয়া-বিশেষণ প্রভৃতি পদ এবং শেষে ত্রিনয়াপদ থাকে। যেমনঃ 'নিঃসঙ্গ পশুপতি অদ্রকাননে দ্রুত প্রবেশ করিলেন।' এখানে নিঃসঙ্গ (বিশেষণ) + পশুপতি (কর্তা) আম্রকাননে (অধিকরণ) দ্রুত (ক্রিয়া-বিশেষণ)। প্রবেশ করিলেন (মিশ্র ক্রিয়া)। সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশ্লেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে।
8 । অসমাপিকা ক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গরূপ, যেমন্য করিলে, করিয়া বলিয়া এই তুলিয়া, বদলাইয়া ইত্যাদি। সমাপিকা ক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গরূপ, মেন্য জন্মিল, হইলেন, করিলেন, হইবেন, করিয়াছিলেন ইত্যাদি।
৫ । সর্বনাম পদের পূর্ণাঙ্গরূপ, যেমন তাহারা, তাহাদির্থের ইত্যাদি।
৬। অনুসর্গের পূর্ণাঙ্গরূপ, যেমন- হইতে।
৭।সাধু ভাষা বা সাধু রীতির গদ্য এক প্রকার আভিজাত্য ও গুরুগম্ভীর বা গাম্ভীর্যের অধিকারী।
৮।সাধু ভাষা বা সাধু রীতির গদ্য নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী।
৯।সাধু ভাষা মার্জিত ও সর্বজনবোধ্য, কিন্তু বহুলাংশে কৃত্রিম।
Related Question
View All-
ক
আজ
-
খ
মিনতি
-
গ
জল
-
ঘ
জোসনা
-
ক
বিশেষ্য
-
খ
সর্বনাম
-
গ
অব্যয়
-
ঘ
ক্রিয়া
-
ক
কথ্য ভাষা
-
খ
চলিত ভাষা
-
গ
সাধু ভাষা
-
ঘ
আঞ্চলিক ভাষা
-
ক
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
-
খ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-
গ
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
-
ঘ
প্রমথ চৌধুরী
-
ক
চলতি
-
খ
সাধু রীতি
-
গ
মিশ্র রীতি
-
ঘ
আঞ্চলিক বীতি
-
ক
উপভাষা
-
খ
কথ্য ভাষা
-
গ
সাধু ভাষা
-
ঘ
চলিত ভাষা
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন